কমিউনিটি হেলথ/জনস্বাস্থ্য/পরিবেশ/নিউজ ডেস্ক :
পরিবেশ বিভাগের ছাড়পত্র কিংবা বিএসটিআইএ এর মানপত্র কিছুই নাই। অথচ দিনে দুপুরে চোখের সামনে এতদিন চলছিল অবৈধভাবে গড়ে উঠা ইটভাটাগুলো। এবার আর রক্ষা পেল না। চট্টগ্রাম জুড়ে চলা অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ কার্যক্রম এর ধারাবাহিকতায় লোহাগাড়া উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা না মেনে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ২টি ইটভাটায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ইটভাটাগুলো ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। সোমবার ২২ মার্চ দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানে লোহাগাড়া উপজেলায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান।এসময় চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আফজারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অভিযানে সহায়তা করেন। উচ্ছেদকৃত ইটভাটাগুলো হল লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের বিবিরবিলা এলাকার মেসার্স বার আউলিয়া ব্রিকস(বিবিএম) ও মেসার্স মহাজন মসজিদ ব্রিকস(এমএমবি)। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান জানান, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা পতিপালনে লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের বিবিরবিলা এলাকায় অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়।তাছাড়া উচ্ছেদকৃত ইটভাটাগুলোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রদত্ত লাইসেন্স নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোন ছাড়পত্র নেই। এছাড়া বন বিভাগের ছাড়পত্র ও বিএসটিআইয়ের মানপত্র কিছুই ছিল না। এসব ইটভাটায় কৃষি জমি ও পাহাড় থেকে মাটি নিয়ে ইট উৎপাদিত হয়ে আসছিল। যেগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ। এসব অভিযোগে ইটভাটাগুলো ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আজকের অভিযানে ২টি ইটভাটা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করা হবে। এদিকে পরিবেশ দূষণকারী অবৈধ ইটভাটাগুলো ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ায় স্বস্তি নেমে এসেছে স্থানীয় কমিউনিটির মাঝে। দেলোয়ার হোসেন নামে এক স্থানীয় অধিবাসী জানান, অনেকদিন থেকে আমরা আবেদন জানিয়ে আসছিলাম মারাত্মক পরিবেশ দূষণকারী অবৈধ ইটভাটাগুলো উচ্ছেদ করতে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি এসব ইটভাটার কারনে আশেপাশের বাতাস পর্যন্ত দূষিত হয়ে এলাকায় শিশু কিশোর সহ অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই দেরীতে হলেও এসব ইটভাটা উচ্ছেদে স্থানীয় অধিবাসীরা খুশী। আমরা এজন্য জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এবং জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত রাখার আবেদন জানাই।






















