স্পোর্টস /তারুণ্য /নিউজ ডেস্ক :
মিরপুরে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি তে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে কিউইদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো কোন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতলো বাংলাদেশ। ১ সেপ্টেম্বর বোলিং বান্ধব মিরপুর স্টেডিয়ামে বাংলার বোলিং অ্যাটাকের সাথে এককথায় দিশেহারাই ছিলো নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং এ নেমে প্রথম ওভারেই উইকেটের পতন নিউজিল্যান্ডের। মাহদি হাসানের বল খেলতে গিয়ে মাহদি হাসানকেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাচিন রাবিন্দ্র।নিউজিল্যান্ডের তরুন ক্রিকেটারদের মধ্যে রাবিন্দ্র কেই সবচেয়ে বেশী ট্যালেন্টেড উপাধি দিয়ে আসছে ক্রিকেট দুনিয়া।অভিষেক ম্যাচেই সুপার ডাক এর ইতিহাস করলেন সেই রাচিন রাবিন্দ্র। তৃতীয় ওভারে সাকিব এসে ১১ বলে ৫ রান করা উইল ইয়াং কে প্যাভিলিয়নে ফেরান।চতুর্থ ওভারে এসে নাসুম আহমেদের শিকার কলিং ডি গ্রান্ডহোম ও টম বান্ডেল।এই প্রথম বাংলাদেশ প্রথম চার ওভাবে চার উইকেট শিকার করে।
তারপর দলের হাল ধরেন টম ল্যাথাম ও নিকোলাস। তাদের জুটিও বেশীদূর আগায় নি।সাইফুদ্দিন এর স্লোয়ার বলে দুজনেই আউট হন ১৮ রান করে।তারপরে লোয়ার অর্ডার ভাঙতে খুব একটা ঘাম ঝরাতে হয় নি বাংলাদেশের। মোস্তাফিজের ৩ উইকেটের সুবাদে ১৬.৫ ওভারে তাদের ৬০ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ।
এটি ছিলো নিউজিল্যান্ডের ইনিংস সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। এর আগে তারা চট্টগ্রামে ২০১৪ টি টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপে ৬০ রানেই অলআউট হয়েছিল শ্রীলংকার বিপক্ষে। বাংলাদেশের পুরো ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যান দের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩ টি চার!
বাংলাদেশের শুরুটাও অবশ্য ভালো হয় নি। নাইম শেখ ফেরেন নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ০ রানে,লিটন ফেরেন মাত্র ১ রানে।দলের নির্বাচকদের আস্হার যথার্থ প্রতিদান দিতে বরাবরের মতই ব্যর্থ তামিম বিহীন বাংলার ওপেনিং যুগল। তিনে নেমে ৩৩ বলে ২৫ রান করে রবীন্দ্রের বলে আউট হন সাকিব।তবে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম।মুশফিক ২৬ বলে ১৬, মাহমুদউল্লাহ করেন ২২ বলে ১৪ রান। ইতিহাস গড়ার ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ ও শরিক হন নতুন আরেকটি রেকর্ডের।মাশরাফিকে ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অধিনায়ক হিসেবে বেশী ম্যাচ জেতার কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলার সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ। মাশরাফি অধিনায়ক হিসেবে ২৮ ম্যাচে ১০ ম্যাচ জেতেন,সেখানে মাহমুদউল্লাহ ১১ ম্যাচ জিতেছেন ২৩ ম্যাচে।মুস্তাফিজ ও নাম লিখিয়েছেন কম ম্যাচ খেলে ২০০ উইকেট নেওয়ার বিশ্বরেকর্ডে।১৪৯ ম্যাচ খেলে যৌথভাবে শ্রীংকান লাসিথ মালিঙ্গার সাথে এই রেকর্ডে ৫ম স্হানে রয়েছেন মুস্তাফিজ।
২ উইকেট ও ২৫ রান নিয়ে ম্যাচ সেরা হন সাকিব।
বাংলাদেশ সিরিজে ১-০ লিড নেয়।পরবর্তী ম্যাচ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই।
২য় ম্যাচে সিরিজে সমতায় আসার জন্যই মাঠে নামবে ব্ল্যাকক্যাপস্ রা।অন্যদিকে বাংলাদেশ চায়বে সিরিজের পথে আরো একধাপ এগিয়ে আসতে।
………. রাকিবুল হাসান জোবায়ের। স্পোর্টস রিপোর্টার।
























