
নিউজ ডেস্ক : অাসন্ন শীতে করোনার প্রকোপ নতুন করে দেখা দিতে পারে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ইংগিত দিয়েছেন। তারা এটাকে বলছেন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। সব দিক বিবেচনায় সরকারও ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় তার নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও তৃনমুল পর্যায়ে সিভিল সার্ভিস, হাসপাতাল, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক, বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, যে দেশ বা প্রতিষ্ঠান আগে ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে, বাংলাদেশ তাদের থেকেই ভ্যাকসিন কিনে আনবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাংলাদেশ করোনার টিকা সরবরাহ করবে। গত অক্টোবর মাসে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ভ্যাকসিন কিনে ফেলবে সরকার। বিদ্যমান বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচীর মতোই এই ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ এর জরুরী প্রয়োজনে চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহের জন্য এ বছরের বাজেটে ১২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকার নিজস্ব খরচে ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে, বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সারা দেশে ৫০৪ টি স্পটে ৩ কোটি গুনগত মানসম্পন্ন মাস্ক দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। দেশের রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লন্চ টার্মিনালে যে চাইবে তাকেই মাস্ক দেওয়া হবে। বাংলাদেশ স্কাউট সুষ্ঠুভাবে এসব মাস্ক বিতরণের কাজটি করবে। তাছাড়া করোনা ঢেউ শুরু হলে মহামারীর সময় সরকারি বেসরকারি অফিসগুলোতে কড়াকড়ি ভাবে, মাস্ক নাই, সেবা নাই( No Mask, No Service) মনিটরিং করা হবে।






















