
প্রবাসী নিউজ ডেস্ক: এই করোনা দুর্যোগেও সাউথ আফ্রিকায় ব্যাপকভাবে ফলন এসেছে স্ট্রবেরি চাষে। ভরা মৌসুমে সারি সারি সবুজ গাছের বুক চিরে রঙিন হয়ে যাওয়া মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য এখন খামার গুলোতে। সরাসরি বাগানে গিয়ে স্ট্রবেরি দেখা আর খাওয়ার স্বাদ নিতে পরিবার নিয়ে অন্যান্য কমিউনিটির সাথে ছুটে যাচ্ছেন বাংলাদেশ কমিউনিটিও। বাংলার চিরায়ত দৃশ্য লাল সবুজের মত দেখতে এইসব বাগান তাদেরকে যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। অবসর ও ছুটির সময়ে দর্শনার্থীদের ঢল নামে যেন এখানকার বিস্তীর্ণ স্ট্রবেরি বাগানজুড়ে। সেখানকার এক বাংলাদেশী কমিউনিটির এক বাসিন্দার পাঠানো তথ্য সূত্রে জানা যায়, দেশটির কোয়াজুলু নাটাল আর ওয়েস্টার্নক্যাপ প্রভিন্স সহ প্রায় সব প্রভিন্সেই গত পঞ্চাশ বছর যাবত তিনশত হেক্টর জমিতে ছয় থেকে নয় হাজার টন স্ট্রবেরি উৎপন্ন হয়।
মাটির অন্যন্য গুনাগুনে সুমিষ্ট,সুস্বাদু আর পুষ্টিতে ভরপুর সাউথ আফ্রিকার স্ট্রবেরি দিয়ে তৈরি হচ্ছে জ্যাম,জেলি,জুস আর ইউগাট।ও নিজ দেশের চাহিদা মিটিয়ে ইউরোপ,মধ্যপ্রাচ্যে আর আফ্রিকার দেশ গুলোতে রপ্তানি করে আয় হচ্ছে প্রায় পঁচিশ মিলিয়ন ডলার।
প্রতি বছর স্ট্রবেরি মৌসুমে মাত্র দুইশত পচাত্তর টাকার (55 রেন্ডের) টিকিটে ফ্রেস ফল খাওয়া এবং প্রতিবেশির জন্য বাকেট ভরে আনতে ছুটির দিনে দুর দুরান্ত থেকে ফার্ম গুলোতে ছুটে আসেন দেশটির
নাগরিক আর প্রবাসি বাংলাদেশিরা। উল্লেখ্য, সাউথ আফ্রিকার জোহানসবার্গ, প্রিটোরিয়া, কেপটাউন, ডারবান সহ আরো কয়েকটি প্রদেশে বাংলাদেশী কমিউনিটির বসবাস।
….তথ্যসূত্র ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার: মিজানুর রহমান রাসেল। কেপটাউন, সাউথ আফ্রিকা।
























