KSRM
Home ইন্টারন্যাশনাল চীনের রেকর্ড ভাঙলো বাংলাদেশ। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু।

চীনের রেকর্ড ভাঙলো বাংলাদেশ। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু।

0

আন্তর্জাতিক কমিউনিটি / নিউজ ডেস্ক :

এতদিনের রেকর্ডটি ছিল চীনের দখলে, ২০১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫ বর্গমিটার জমিনে কাউফিশের ছবি ফুটিয়ে তুলেছিল দেশটির সাংহাইয়ের লেজিদাও ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। কিন্তু এবারে ২০২১ সালে চীনের রেকর্ডটি ভেঙে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখালো শস্যচিত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। আন্তর্জাতিকভাবে এবারে ১৭ মার্চের শুরুতে এই ঘোষণাটি দেওয়া হয়। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে এক লাখ ১৯ হাজার ৪৩০ বর্গমিটার জমিনে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। এজন্য চীন থেকে আনা হয়েছে বেগুনি রঙের এফ-ওয়ান জাতের ধানের চারা। কয়েক মাসের প্রস্তুতি শেষে গত মাসের প্রথম দিকে কাজ শুরু হয় মাঠে। শস্যক্ষেতে একজন মানুষের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলে গিনেস রেকর্ড দখলে নেয়াই ছিল লক্ষ্য।
শেরপুরের বালেন্দা গ্রামে দেখা যায়, বাংলার জমিনে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে আসেন শতাধিক মানুষ। অনেকেই এসেছেন দূর-দূরান্ত থেকে। ইতিহাসের অংশ হতে পেরে যেমন আনন্দিত স্থানীয়রা, তেমনি এই শিল্পকর্মটি দেখতে পেয়ে আনন্দিত দর্শনার্থীরাও। জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই পুরো প্রকল্পের ভাবনা, নকশা এবং বাস্তবায়ন করেছে এক্সপ্রেসিভ কমিউনিকেশনস লিমিটেড। প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ।
ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার জানিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু যেহেতু কৃষকবান্ধব নেতা ছিলেন, তাই তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে সম্মান জানাতেই এই শিল্পকর্মটি করা। গত ডিসেম্বরে প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। এরপর ২৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। এতে সাধারণ মানুষেরও অংশগ্রহণ ছিল। গত ১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় ১৪০ নারী শ্রমিক ধানের চারা রোপণ করেছেন। এর আগে বগুড়ার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ১০০ শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) সদস্যরা শুকনো জমিতে প্রায় এক হাজার ২০০ খুঁটি পুঁতে প্রতিকৃতিটির লে-আউট করেন। এই ১০০ বিঘা জমি কৃষকদের কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্য দিয়ে সাত মাসের জন্য লিজ নেয়া হয়েছে। এই ফসল উঠে গেলে কৃষকরা আবার তাদের জমি ফেরত পাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here