
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ২৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে দেশব্যাপী । ২১ অক্টোবর এ উপলক্ষ্যে বাউবির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে গাছরোপন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী, সমন্বয়কারী, টিউটর ও শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক বদরুল হায়দার চৌধুরী । তিনি বলেন, সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আর সহযোগিতায় বাউবি আজ মহিরূহ হয়ে উঠেছে। দেশে-বিদেশ জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। স্বপ্নহীন মানুষরা স্বপ্নপূরণের জন্য বাউবিকে তাদের আস্থার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রহন করছে। অতীতের মত আগামী দিনেও সবার সহযোগিতা অব্যাহত থেকে বাউবি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাউবি ভর্তি সংখ্যার( Enrolment) দিক দিয়ে বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।

গাজীপুরের বোর্ডবাজারে অবস্থিত বাউবি এর মূল ক্যাম্পাস কিছু একাডেমিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পথ ধরে উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাউবি উন্নত দূর শিক্ষা ( Distance Education)দিয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে হচ্ছে বাউবির বিশাল ভবনঃ স্বপ্ন পূরণের কাছাকাছি বাউবি এর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্র। রেলওয়ে সিআরবির সবুজ পাহাড়ী পাদদেশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় পরিবেশে হতে যাচ্ছে বাউবি, চট্টগ্রাম এর বিশাল ভবন। এজন্য বাউবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম এ. মাননান ও ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড স্টেট বিভাগকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিচালক বদরুল হায়দার চৌধুরী বলেন, ওনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামবাসী পেতে যাচ্ছে আধুনিক ও সুরম্য এই বাউবি ভবন। কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই, দশ তলা বিশিষ্ট এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে অচিরেই। এ ভবনে ভার্চূয়াল ক্লাসরুমসহ দুরশিক্ষণ এর সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান থাকবে। তখন বাউবিকে ঘিরে চট্টগ্রাম এর স্বপ্নহীন মানুষরা আরো আরো স্বপ্ন দেখার সুযোগ পাবে। তিনি বিখ্যাত লেখক অস্কার ওয়াইল্ড এর একটি বাক্য উল্লেখ করে বলেন, স্বপ্ন দেখা মানুষরা চাঁদের আলোতে পথ খুঁজে নিতে পারে, আর তারাই সবার আগে ভোরের সূর্য ওঠা দেখতে পায়।

























