কমিউনিটি টুরিজম/ মান্নান মেহেদী।অতিথি প্রতিবেদক :
মন্দিরের শহর বাগান মিয়ানমারের মান্দালয় অঞ্চলের ঐতিহব্যবাহী ও প্রাচীন জনপদ। খরস্রোতা ইরাবতী নদীর তীরে বাগানের সবুজ সমতল ভূমির অপূর্ব দৃশ্য আর ফুলের মতো থোকায় থোকায় ছড়িয়ে থাকা মন্দির-প্যাডোগার অপরূপ সৌন্দর্য সহজেই মন ছুঁয়ে যায়। খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতকে বাগান জনপদ গড়ে ওঠে। তবে কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, খ্রিষ্টীয় নবম শতকের মাঝামাঝি গোড়াপত্তন হয় বাগান জনপদের। তখন এর নাম ছিল পাগান। আদি বার্মিজ শব্দ পাগান থেকে বিবর্তিত হয়ে আধুনিক বার্মিজ ভাষায় বাগান নাম হয়েছে। এই বাগানের ঐতিহ্যবাহী ও নন্দিত স্থাপনার মধ্যে আনন্দ মন্দির একটি। বাগানকে বলা হয় মন্দিরের শহর। তবে বাগানকে মন্দিরের শহর বলা হলেও মন্দিরগুলো মূলত বৌদ্ধধর্মের উপসনার জন্য নির্মিত অর্থাৎ প্যাগোডা। খ্রিষ্টীয় নবম থেকে ১৩ শতক পর্যন্ত এখানে নির্মিত হয় প্রায় ১০ হাজার মন্দির। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকতে না পারায় হারিয়ে গেছে অনেক স্থাপনা। তবে এখনো প্রায় ২ হাজার ২০০টির মতো স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ টিকে আছে। কমিউনিটি টুরিজমের এই শৈল্পিক স্থাপনাগুলো জনপ্রিয় হচ্ছে টুরিস্টদের কাছে। ভূমিকা রাখছে সেদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে।
























