আন্তর্জাতিক কমিউনিটি / নিউজ ডেস্ক :
পৃথিবীর সব কমিউনিটির কথা বলে কমিউনিটি টিভি।এ পর্যায়ে পৃথিবীব্যাপী বেশ আলোচিত ইহুদি কমিউনিটির বাংলাদেশে অতীত প্রেক্ষিত নিয়ে লিখেছেন বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শাব্বির আহমেদ।.
…………………………………………….
শিরোনাম দেখে যে কারোরই ভ্রূ কুঁচকে ওঠার কথা। কেননা, ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে পুরো ইহুদি সম্প্রদায় সম্পর্কে মুসলিম বিশ্বে ইহুদি বিরোধী মনোভাব বরাবরই ক্রিয়াশীল। ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো কূটনীতিক সম্পর্ক তো নেই-ই, কিছুদিন পূর্বে পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বাক্যটি উঠিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র রীতিমতো প্রতিবাদের ঝড় উঠলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ইসরায়েল ভ্রমণে পূর্বের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি পর্যন্ত দিতে হয়।
২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল দৈনিক কালের কন্ঠে ‘ঢাকায় ইহুদিদের রহস্যময় ক্লাব’ এবং ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী দৈনিক প্রথম আলোতে ‘ঢাকার ফ্রিম্যাসন্স ক্লাবের সত্য-মিথ্যা’ শিরোনামে প্রকাশিত লেখা পড়ে কৌতুহল বশতঃ একদিন পুরানা পল্টনস্থ ক্লাবটি স্বচক্ষে দেখতে গিয়েছিলাম। ক্লাবটি দেখার পর এর ইতিবৃত্ত অনুসন্ধান করতে গিয়ে একসময়ে এই দেশে বসবাসকারী স্বল্প সংখ্যক ইহুদি সম্প্রদায়ের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভূমিকা ও কর্মতৎপরতা দেখে রীতিমতো আশ্চর্যান্বিত হই। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, বইপত্র ও অনলাইন সূত্রে জানা যায়, ফরাসী, ডাচ ও ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে ইউরোপের অনেক ইহুদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে উপমহাদেশে আগমন করেছিলেন। শালম কোহেন (১৭৬২-১৮৩৬) নামক এক ইহুদি ব্যবসায়ী কলকাতায় সর্বপ্রথম ‘ইস্ট বেঙ্গল জিউশ কমিউনিটি’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি ১৭৯৮ সালে সুরাট থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসেন। তিনি ঢাকায় এসেছিলেন কাপড়, সিল্ক, মসলিনের বাণিজ্যের পাশাপাশি ইহুদিদের ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অভিপ্রায়ে। উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ইহুদিদের ক্লাব ‘ফ্রিম্যাসন্স’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭২৯ সালে কলকাতার ফোর্ড উইলিয়াম দুর্গে। ১৭৫৩ সালে মাদ্রাজে এবং ১৭৫৮ সালে মুম্বাইতে এর প্রসার ঘটে। পাকিস্তানে এর শাখা স্থাপিত হয় ১৮৫৯ সালে লাহোর শহরের আনারকলি নামক স্থানে। ১৯১০ সালে ঢাকায় এর একটি শাখা স্থাপিত হয়ে যায়। লাহোর ছাড়াও পাকিস্তানের কোয়েটা, মুলতান, শিয়ালকোট, রাওয়ালপিণ্ডি ও পেশোয়ারে এর শাখা গড়ে উঠেছিল। তৎকালীন সময় ওই ক্লাব এতটাই অগ্রসরমাণ ছিল যে, শুধু করাচিতে এর ২০টি এবং লাহোরে তিনটি শাখা গড়ে উঠেছিল। ঢাকার পর চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহরে গোপনীয়ভাবে এর কয়েকটি শাখা গড়ে উঠেছিল, গড়ে উঠেছিল ‘সিনাগগ’ তথা প্রার্থনা প্রতিষ্ঠান। এ সব শাখা তখন ‘গ্র্যান্ড লজ অব ইংল্যান্ড’-এর অধীনে পরিচালিত হতো। অনুসন্ধানে দেখা যায়, উনিশ শতক থেকে বিশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত বাগদাদি ইহুদিরা ঢাকায় ব্যবসা শুরু করেন। তবে তারা কলকাতায় বসে দেখভাল করতেন। উপমহাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো বাংলায়ও টেক্সটাইল, মুক্তা ও আফিমের ব্যবসা করে ধনী হয়েছিলেন ইহুদিরা। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতেও এদেশে বসবারত ইহুদি সম্প্রদায়ের লোকেরা অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য পি জি হার্টগ জন্মগতভাবে ইহুদি পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি শুধু উপাচার্যই ছিলেন না, যে স্যাডলার কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সে কমিটিরও সদস্য ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ বছর চাকরি করেছিলেন। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম প্রথম শুরু হলেও হার্টগ উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন ১৯২০ সালের ১ ডিসেম্বর। চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছিল ১৯২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তিনি একজন সফল উপাচার্য ও বিশ্ববরেণ্য শিক্ষাবিদ ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে। এর প্রধান স্থপতি ছিলেন মার্কিন নাগরিক লুই আই কান। ফিলাডেলফিয়ায় জন্মগ্রহণকারী লুই কান ছিলেন একজন ইহুদি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম ঘোষক ছিলেন মর্ডি কোহেন। তাঁর সহযোগী ঘোষক ছিলেন বিবিসি বাংলার একসময়ের স্বনামখ্যাত সংবাদ পাঠিকা মাসুমা খাতুন। মর্ডি কোহেন ছিলেন ইহুদি সম্প্রদায়ের লোক। তিনি প্রথমে রাজশাহীতে রেডিওতে ঘোষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে ১৯৬৪ সালে ২৫ ডিসেম্বর টেলিভিশন শুরু হলে সেখানে ঘোষক হিসেবে যোগদান করেন। দেখতে সুদর্শন মর্ডি কোহেন সহজেই টেলিভিশনের একজন জনপ্রিয় ঘোষক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। একসময় সংবাদ পাঠক হিসেবেও তিনি আবির্ভূত হন। খান আতাউর রহমানের ‘নবাব সিরাজউদৌল্লা’ ছবিতে নবাবের মিত্র ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে’র চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন মর্ডি কোহেন। ১৫০ বছর আগে ইরানের ইস্পাহান থেকে ঢাকা হয়ে রাজশাহীর বরেন্দ্রভূমেই থিতু হয়েছিলেন কোহেনরা। তাঁর বাবা রাজশাহীর নামকরা ব্যাবসায়ী ছিলেন।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর তিনি পরিবারসহ কলকাতা চলে যান। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিটিভি’র আমন্ত্রণে মর্ডি কোহেন ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকা থেকে কলকাতায় ফিরে গিয়ে তিনি মারা যান। কলকাতার নারকেলডাঙ্গায় তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। জানা যায়, ইহুদি পরিচয় নিয়ে তত মাথাব্যথা ছিল না মর্ডির। নিজেকে বাঙালিই ভাবতেন। বাবা মাসহ ইসরায়েলে ফিরে ধর্মকর্ম করে পুণ্যভূমিতে মৃত্যুই ছিল মর্ডি কোহেনের ছেলে মেয়ের ইচ্ছা। মর্ডি ১৯৯২ সালে একবার ইসরায়েলে গিয়েছিলেন ঠিক ইহুদি ধর্মের আঁতুড়ঘর বলে নয়। দুই ছেলে রাফায়েল ও মিখাইল, মেয়ে এমাসহ পরিবারশুদ্ধ কোহেন দম্পতি একজোট হবে বলে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অফ স্টাফের দায়িত্ব পালনকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল জে এফ আর জ্যাকব নামটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত। মিত্রবাহিনীর এই কমান্ডার দেশের স্বাধীনতা অর্জনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। তিনি কলকাতার এক বাগদাদি জিউশ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
এবার আসা যাক ঢাকার পুরানা পল্টনস্থ ফ্রিম্যাসন্স হল প্রসঙ্গে। সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাই, ভবনের গায়ে একটি শ্বেতপাথরে লেখা আছে ১৯১০ সালে নির্মিত। রহস্যঘেরা দো’তলা এই প্রাচীন ভবনকে নিয়ে পত্র পত্রিকায় প্রতিবেদন ছাপা হলে বিভিন্ন গবেষক অনুসন্ধানে নামেন। সৈয়দ আবুল মাকসুদ জানান, ‘জন রিচার্ডসন বেনেটের লেখা এ সংক্রান্ত একটি বই হাতে পাই। সে সূত্রে জানতে পারি এটা আসলে ইহুদিদের একটি ক্লাবের নাম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ নামে তাদের ক্লাব রয়েছে। সেখানে তারা অবসরে মিলিত হয়ে আড্ডা, খেলাধুলা, ধর্মীয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে থাকে’। পুরানা পল্টনের প্রবীণ বাসিন্দা আবুল ফিদা চৌধুরীর উদ্ধৃতি দিয়ে কালের কন্ঠ জানায়, ‘আজ থেকে ৫০ বছর আগেও পল্টনের এ ক্লাবে ইহুদি সম্প্রদায়ের লোকজন ভিড় করত। ক্লাবের ভেতরে চলত তাদের আলাপ – আলোচনা, গোপন বৈঠক, খানাপিনা এবং নাচগান। তবে সব কিছুই হতো সতর্কতার সঙ্গে। বাইরে থেকে তাদের কোনো কিছুই জানা যেত না। যারা আসতেন তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশতেন না। তবে স্থানীয় লোকজন ইহুদিদের ক্লাব মনে করে সেখানকার আশপাশে ঘেঁষতেন না। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর তাদেরকে পল্টনের এই ফ্রিম্যাসন্স ক্লাবে খুব একটা দেখা যেত না। ঢাকায় দু’চারজন ইহুদি বাস করলেও তারা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতেন’। জানা যায়, এদেশে বসবাসকারী অধিকাংশ ইহুদি ১৯৮০ সালের দিকে আমেরিকা কিংবা ইসরায়েলে চলে যায়। চলে যাওয়ার সময় তাদের ফ্রিম্যাসন্স ক্লাব এবং জমি ঢাকা ডিসি অফিসের বরাবর দলিল করে দেয়। সেই দলিল সূত্রে ওই ক্লাবের জমিজমা খাস ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে ভবনটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাবরক্ষণের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময়ও ঢাকায় বেশ কিছু নামকরা ইহুদি পরিবার ছিল। এসব পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন। কেউ কেউ হোটেল-রেস্তোরাঁও চালাতেন। ঢাকার বনেদি রেস্তোরাঁর ‘হোটেল রিজ’ কয়েকজন ইহুদি মিলে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ঐ সময়ে ঢাকায় তেমন হোটেল ছিল না। যার কারণে ইহুদিদের প্রতিষ্ঠিত রিজ রেস্তোরাঁয়-ই সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানাদি হতো। সাদা চামড়ার বিদেশিদের আড্ডাস্থল ছিল ঢাকা ক্লাব। ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা রিজ হোটেলটির মালিকানা পঞ্চাশের দশকে হাত বদল হয়। একই সঙ্গে তার নাম বদল হয়ে হয় ‘রেক্স’। মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকেই রেক্স ছিল ঢাকার বনেদি বাসিন্দা ও কবি-সাহিত্যিকদের আড্ডাস্থল। অনেক রাত পর্যন্ত রেক্সে কবি-লেখকদের আড্ডা চলত বলে অনেকেই তাঁদের স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশে ইহুদি সম্প্রদায় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাই বছর তিনেক পূর্বে ‘ট্রিপ অ্যাডভাইজার’ নামক ভ্রমন বিষয়ক এক ওয়েবসাইট থেকে। বাংলাদেশে কোনো ‘সিনাগগ’ আছে কিনা, জানতে চেয়ে এক পর্যটক ট্রিপ অ্যাডভাইজারে পোস্ট দিয়েছিলেন। ‘জিউশ অব বাংলাদেশ’ নামের এক ব্লগ সাইটে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বসবাসরত এক ব্লগার লিখেছিলেন, তার বাবা ইয়েমিনিত জিউশ বা ইয়েমেনি জিউশ, মা বাংলাদেশী। ব্লগার পরে অর্থোডক্স খ্রিস্টান বনে যান। সেই একই ব্লগে কয়েকজন ইহুদি দাবি করেন, তারা বাংলাদেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন, আসা-যাওয়া করছেন। কানাডার অন্টারিও নিবাসী ইহুদি জোসেফ এডওয়ার্ডের জন্ম চট্টগ্রামে। তিনি ১৯৮৬ সালে কানাডা চলে যান। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, চট্টগ্রামের কনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি বা চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে ইংল্যান্ডের এক আরএএফ সার্জেন্টের কবরের ওপর ইহুদি ধর্মের প্রতিক ‘স্টার অব ডেভিড’ খোদাই করা আছে। ইসরায়েলের জাতীয় পতাকার মধ্যে রয়েছে ‘দ্য স্টার অব ডেভিড’ (ছয় কোণের নীল রঙের তারকা)। জোসেফ এডওয়ার্ডের বাবা রাহামিম ডেভিড বারুক ও তার বড় ভাই এজরা বারুকের জন্ম কলকাতায়। তারা পরে ইস্ট পাকিস্তানে চলে আসেন। জোসেফের বাবা চট্টগ্রামের জাহাজ শিল্পে জড়িত ছিলেন। তিনি পর্তুগিজভাষী এক ক্যাথলিক শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন। জোসেফের চাচা পার্বত্য চট্টগ্রামের এক চাকমা রাজকন্যাকে বিয়ে করে চন্দ্রঘোনায় থিতু হন। সন্তান জন্মদানের সময় মারা যায় তার স্ত্রী। সদ্যোজাত সন্তানকে এক মুসলিম পরিবারে লালন-পালনের ভার দেন। জোসেফের পরদাদা ব্যবসার প্রয়োজনে কলকাতায় আসেন। জোসেফের অনেক আত্মীয় এখন ইসরায়েলের আরাদ ও বীরসেবায় বাস করছেন। কেউ আছেন টরন্টো, ইংল্যান্ড ও সিডনিতে। গত ১২ জুন ২০২১ ইং বিকেলে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে গিয়ে অসংখ্য সমাধি ফলকের মধ্যে এরকম দু’টি স্টার অব ডেভিডের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃটিশ সেনাবাহিনীর এই ইহুদি সদস্যরা বৃটিশদের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে জাপানী সেনাদের হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
……. ( পৃথিবীর সব কমিউনিটির কথা বলে কমিউনিটি টিভি। পৃথিবীর যে কোন কমিউনিটি, জাতিগোষ্ঠী, সম্প্রদায় নিয়ে যে কোন তথ্যবহুল লেখা যে কেউ পাঠাতে পারেন communitytvnews@gmail.com এই ইমেইলে।)
























