Home কমিউনিটি সাবেক মেয়র নাছিরকে নিয়েই প্রচারণায় নামলেন রেজাউল করিম চৌধুরী।

সাবেক মেয়র নাছিরকে নিয়েই প্রচারণায় নামলেন রেজাউল করিম চৌধুরী।

0

নিউজ ডেস্ক :

সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে নিয়েই এবারে নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। নগর আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের কারনে এতদিন দুজনের মধ্যে যে দুরত্বের কথা শুনা যাচ্ছিল তা ভুল প্রমানিত করার চেষ্টা বলে জানান দলের কয়েকজন নেতা কর্মী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আ জ ম নাছিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত এক নগর যুবলীগ নেতা বলেন, রেজাউল ভাই বুঝতে পেরেছেন এতদিন যাদের নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে চষে বেড়িয়েছেন তাতে অনেক গ্যাপ ছিল। নাছির ভাইয়ের জনপ্রিয়তা ও তৃণমূলে তাঁর গ্রহনযোগ্যতা অনেক। রেজাউল ভাইকে জিততে হলে নাছির ভাইয়ের অসাধারণ নেতৃত্ব লাগবেই। তবে নগর আওয়ামী লীগের অন্য আরেকটি গ্রুপের অনুসারী আরেক যুবলীগ নেতা দুজনের মাঝে কোন দূরত্ব নেই উল্লেখ করে বলেন, রেজাউল ভাই কখনো সাবেক মেয়র নাছির ভাই থেকে দূরে থাকেন নি। তিনি সবসময় নাছির ভাইকে কাছে চেয়েছেন। এবারেও তাই হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

করোনার কারনে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৭ জানুয়ারী। নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া সময় মেনে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। বহরদার বাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও পারিবারিক কবর স্থানে পিতা-মাতা, পূর্বপুরুষদের কবর জেয়ারত ও শাহ আমানত মাজার জেয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীর ভিড়ে এ সময় রেজাউল করিম চৌধুরীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, সদস্য সামশুল আলম, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ নেতাকর্মীরা।
স্বচ্ছ ও স্মার্ট চট্টগ্রাম সিটি গড়ার অংগীকার নিয়ে প্রচারণার শুরুতে মেয়র পদপ্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানে চট্টগ্রাম এখন উন্নয়নের মহাসড়কে অবস্থান করছে। চট্টগ্রামের উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রাকে অধিকতর মসৃণ ও গতিশীল করতে আমি আমার দলীয় প্রতীক নৌকায় আপনাদের ভোট প্রত্যাশা করছি। পাহাড়, সমতল, সাগর, নদীর অপূর্ব সমাহারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে জাতির জনক ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন। আর কেউ সেভাবে চট্টগ্রামকে মূল্যায়নে কেবল ব্যর্থ হয়েছে তাই নয়, বরং চট্টগ্রামকে তারা অবহেলাই করেছে। চট্টগ্রামের মানুষের ভালবাসা ও রায় নিয়ে প্রয়াত জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রথমে মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নের নব দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন। তৎকালীন বিএনপি সরকারের চরম অসহযোগিতা সত্বেও তিনি কর্পোরেশনে আয়ের খাত সৃষ্টি করে নিজস্ব বাজেটে চট্টগ্রামের অভাবনীয় উন্নয়ন সূচিত করেছিলেন। আমি বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার মনোনীত প্রার্থী, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের সম্মূখযোদ্ধা ও মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ট সহচর হিসেবে কথা দিলাম, মেয়র নির্বাচিত হয়ে আমি জনগণের শক্তি ও মতামতকে পাথেয় করে আধুনিক সুযোগ সুবিধার শতভাগ প্রয়োগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি স্বচ্ছ ও স্মার্ট সিটিতে পরিনত করব। যেখানে সহজেই নাগরিকরা সকল প্রকার আধুনিক সেবা লাভ করবে। এরপর তিনি নগরীর ১ নং দক্ষিন পাহাড়তলী, ২নং জালালাবাদ ও ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here